মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২২nd জুন ২০১৭

পারমানবিক বিদ্যুৎঃ প্রারম্ভিক কথা

পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে প্রায় অর্ধ শতাব্দী আগে। প্রায় ত্রিশটিরও বেশি দেশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে পারমাণবিক প্রযুক্তির আর্থিক, কারিগরি ও পরিবেশগত সুবিধাদির বিষয়টি বিবেচনায় এ প্রযুক্তি ব্যবহারের গ্রহণযোগ্যতা আজ সর্বজনবিদিত। আজকের বিশ্বে ঘনবসতিপূর্ণ ও স্বল্প জ্বালানী সম্পদের অধিকারী উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত রাষ্ট্রসমূহ তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কর্মসূচীকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি অন্যতম বিকল্প হিসেবে গ্রহণ করেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে পারমাণবিক প্রযুক্তির নির্ভরতার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার মূল কারণসমূহ হল-

 

(১)  পারমাণবিক প্রযুক্তি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সর্বাধুনিক নিরাপদ প্রযুক্তি এবং নিশ্চয়তাদানকারী টেকসই উৎস

(২)  এটা জ্বালানী শক্তি আমদানিতে নির্ভরতা হ্রাস করে,

(৩)  বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে পারমাণবিক প্রযুক্তি একটি উপায় যা বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে  নির্ভরযোগ্য ও উন্নততর করে,

(৪) আর্ন্তজাতিক শক্তি-সরবরাহ বাজারে নিয়মিতভাবে  তেল/গ্যাস সরবরাহের অনিশ্চয়তা এবং জ্বালানি শক্তিতে উন্নত দেশসমুহে তেল/গ্যাস-এর মজুদ দ্রুত হৃাস পেতে থাকা,

(৫) আর্ন্তজাতিক বাজারে তেল/গ্যাস-এর মূল্য সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা,

(৬) গ্রীন-হাউস গ্যাসের নিঃসরণ  হ্রাসের মাধ্যমে বৈশ্বিক উঞ্চতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান এবং

(৭) তেল-গ্যাস রফতানীকারক দেশসমূহে  ২০১১ সালের রাজনৈতিক অবস্থার  উন্নয়ন। এ সকল বিবেচনায় এশিয়া মহাদেশ ভবিষ্যতে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রযুক্তি ব্যবহারের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হতে যাচ্ছে।


Share with :

Facebook Facebook